গুলিস্তান ইসলামিক মডেল স্কুলের রজত জয়ন্তীতে দ্বীনি ও আধুনিক শিক্ষার মেলবন্ধনের আহবান |
| |
| |
|
রবিউল ইসলাম, আপনজন নিউজ এজেন্সী, কলকাতা
ইসলামী পরিবেশে দ্বীনি শিক্ষার সঙ্গে আধুনিক শিক্ষার মেলবন্ধন ঘটিয়ে ইসলামি শিক্ষার উপযোগী করে তুলতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে দক্ষিণ ২৪ পরগণার ঢোলাহাট-এ অবস্থিত গুলিস্তান ইসলামিক মডেল স্কুল। গত ১০ এপ্রিল এই স্কুলের রজত জয়ন্তী বর্ষ উদযাপিত হয়। এই অনুষ্ঠানে আলেম-উলামা থেকে শুরু করে শিক্ষাবিদ, সমাজবিদ মায় রাজনীতিবিদদের উপস্থিতিতে সমগ্র অনুষ্ঠানটি উজ্জ্বলময় হয়ে ওঠে।
এদিনে র সকালে প্রভাত ফেরির মাধ্যমে রজত জয়ন্তী বর্ষ উদযাপনের শুরুয়াত হলেও মূল অনুষ্ঠানটির প্রারম্ভ ঘটে বিকালে, মাওলানা তাহেরুল হকের দারসে কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে। প্রারম্ভিক ভাষণ দেন মুহাম্মদ মান্নাফ।
কলকাতার রেড রোডের ইমাম ই ঈদায়েন ক্বারী ফজলুর রহমান বলেন, পশ্চিমবঙ্গে আড়াই কোটি মুসলমানের বাস। দ্বীনি শিক্ষা ব্যতিরেকে আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠতে পারে না। তাই গুলিস্তানে মতো শত শত প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠা প্রয়োজন যেখানে দ্বীনি শিক্ষার সঙ্গে আধুনিক শিক্ষার মেলবন্ধন থাকবে।
বিশিষ্ট শিল্পপতি ও শিক্ষানুরাগী জনাব মোস্তাক হোসেন মুসলিমদের পিছিয়ে পড়াকে রাজনৈতিক বলে অভিহিত করেন। তিনি নারী শিক্ষার প্রসারে আরও এগিয়ে আসার আহবান জানান।
সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী শ্রী কান্তি বিশ্বাস রাজনীতি ভুলে শিক্ষার উন্নয়নের পিছনে একসাথে কাজ করার ডাক দেন। সভাপতিত্ত্ব করেন ডা. রইসউদ্দীন. তিনি গুলিস্তান ও মিল্লাত গার্লস একাডেমিকে একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পরিকল্পনা ব্যক্ত করেন।
বহু বিজ্ঞজনের জ্ঞানগর্ভ বক্তৃতায় সমগ্র অনুষ্ঠানটি মনোজ্ঞ হয়ে ওঠে। বিশিষ্টদের মধ্যে যারা উপস্থিত ছিলেন ও বক্তৃতা দেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন প্রাবন্ধিক আবদুর রাউফ, জামাআতে ইসলামী হিন্দের সাধারণ সম্পাদক ডা. মসীহুর রহমান, মুয়াবীনে-আমীরে হালকা আবদুল আজীজ, সমাজসেবী খালিদ এবাদুল্লাহ, অধ্যক্ষ আবদুল্লাহ জমাদার প্রমুখ।
সভার শেষে মুহাম্মদ নুরুদ্দিন নাটিকা ‘গুলিস্তান’ মঞ্চস্থ করে গুলিস্তানের ছাত্রছাত্রীরা। সুন্দরবন অঞ্চলের বহু মানুষ এই অনুষ্ঠানে হাজির হন। |